পরিবর্তনের দিনলিপি — ১৪১তম দিন | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুর্গাপুজোর আগে কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক প্রস্তুতি, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন, অ্যান্টি-গুন্ডা বিল, রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল এবং SIR নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক—আজকের দিনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খবর সামনে এসেছে। এর মধ্যে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ব্যাখ্যা এবং পুজোর নিরাপত্তা প্রস্তুতি বিশেষভাবে নজরে রয়েছে।

অ্যান্টি-গুন্ডা বিল নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন শুভেন্দু

গতকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের West Bengal Public Safety and Control of Anti-Social Activities Bill, 2026 নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করেছেন যে বিলটি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠাননি।

রাজ্য সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, বিলটি এখনও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিবেচনাধীন এবং রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছয়নি। ফলে রাষ্ট্রপতি বিলটি ফেরত পাঠিয়েছেন—এই দাবি সঠিক নয় বলে সরকার জানিয়েছে।

জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিলটি পাস হয়েছিল। প্রস্তাবিত আইনের উদ্দেশ্য হিসেবে সংগঠিত অপরাধ, তোলাবাজি, বেআইনি কার্যকলাপ এবং সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তবে বিলটির কয়েকটি ধারাকে কেন্দ্র করে সাংবিধানিক ও আইনি প্রশ্নও উঠেছে। বিশেষ করে NDPS Act-এর সঙ্গে সম্ভাব্য overlap নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিষয়টি পরীক্ষা করা হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে আজকের ব্যাখ্যার ফলে অন্তত একটি বিষয় পরিষ্কার হয়েছে—বিলটি এখনও চূড়ান্ত আইনে পরিণত হয়নি এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর্যায়ে পৌঁছয়নি।

পুজোর আগে কলকাতা পুলিশের বড় প্রস্তুতি

দুর্গাপুজো শুরু হতে আর বেশি সময় নেই। আজ কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুজো কমিটিগুলির অধিকাংশ সমস্যা ইতিমধ্যেই সমাধানের পথে রয়েছে। পুজোর সময় শহরের নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ১০,০০০ পুলিশ কর্মী এবং ২১,০০০ স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

কলকাতার বড় পুজোগুলিতে প্রতিবছর দর্শনার্থীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ে। তাই crowd management, যান নিয়ন্ত্রণ, মহিলা নিরাপত্তা, emergency response এবং হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের দ্রুত খুঁজে দেওয়ার ব্যবস্থা—সবকিছুকে একসঙ্গে প্রস্তুত করতে হচ্ছে।

পুলিশের সঙ্গে পুজো কমিটিগুলির সমন্বয় বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই আজকের বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

পুজোর নিরাপত্তায় সমন্বিত ব্যবস্থা

শুধু পুলিশ মোতায়েন করলেই পুজোর নিরাপত্তা সম্পূর্ণ হয় না। অগ্নিনিরাপত্তা, বিদ্যুৎ সংযোগ, emergency exit, মণ্ডপের কাঠামো, রাস্তার ভিড় এবং অ্যাম্বুল্যান্স চলাচলের জন্য আলাদা পরিকল্পনা প্রয়োজন।

গত কয়েক দিনে রাজ্য সরকার অগ্নিনিরাপত্তার জন্য নতুন emergency vehicles যুক্ত করেছে। তার সঙ্গে আজ কলকাতা পুলিশের পুজো প্রস্তুতির বৈঠক মিলিয়ে দেখলে বোঝা যাচ্ছে, উৎসবের আগে প্রশাসন একাধিক স্তরে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে।

বিশেষ করে বড় মণ্ডপগুলির ক্ষেত্রে দর্শনার্থীর প্রবেশ ও বেরোনোর রাস্তা আলাদা রাখা, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত evacuation এবং যানবাহনের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

রাজ্য বিজেপিতে বড় সাংগঠনিক রদবদল

আজ রাজ্য বিজেপির সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের খবর সামনে এসেছে।

তাপস রায়, অগ্নিমিত্রা পাল এবং আরও কয়েকজন মন্ত্রীকে দলীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে। এই পরিবর্তনটি রাজ্য বিজেপির organisational restructuring-এর অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই রদবদল এমন সময়ে হচ্ছে যখন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন সামনে এবং দুর্গাপুজোর পর রাজ্যের রাজনৈতিক সংগঠন আরও সক্রিয় হওয়ার কথা।

দলীয় সংগঠন ও সরকারের প্রশাসনিক দায়িত্ব আলাদা রেখে সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর করার উদ্দেশ্যেই এই ধরনের পরিবর্তন করা হচ্ছে বলে বিজেপির সাংগঠনিক সূত্রের বক্তব্য।

নতুন দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে জেলা, মণ্ডল এবং বুথ স্তরে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।

নন্দীগ্রামে মিলন প্রধান এখনও জেল হেফাজতে

৬ অক্টোবরের নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে ঘিরে আইনি পরিস্থিতি আজও গুরুত্বপূর্ণ।

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল তাঁর পক্ষে একক বেঞ্চের দেওয়া interim protection বাতিল করে। আদালত জানিয়েছে, ফৌজদারি আইনে এই ধরনের interim protection-এর নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই এবং তাঁকে নিয়মিত bail-এর আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

এর ফলে মিলন প্রধান বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁর হয়ে স্ত্রী অর্পিতা প্রধান নন্দীগ্রামে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। শুক্রবার কংগ্রেস নেতৃত্বও তাঁর সমর্থনে প্রচার মিছিল করেছে।

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের প্রচার ৪ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা এবং ভোটগ্রহণ ৬ অক্টোবর। ফলে আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্বাচনী প্রচারের সময়সীমার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হয়ে উঠছে।

নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক প্রচার বাড়ছে

মিলন প্রধানের আইনি পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁর স্ত্রী ও কংগ্রেস নেতারা নন্দীগ্রামে প্রচার চালাচ্ছেন।

কংগ্রেসের বক্তব্য, প্রার্থীর অনুপস্থিতিতেও প্রচার চালিয়ে ভোটারদের কাছে দলের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে। অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথও নিজের প্রচার চালাচ্ছেন।

এই উপনির্বাচনে বিজেপি, কংগ্রেস এবং অন্যান্য রাজনৈতিক পক্ষের প্রচার ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ৪ অক্টোবরের পর প্রচার বন্ধ হবে।

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কোনও পূর্বাভাস না দিয়ে এখন মূল নজর রয়েছে প্রার্থীদের প্রচার, আদালতের সিদ্ধান্ত এবং ভোটগ্রহণের প্রস্তুতির দিকে।

শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা

আজ শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকাশ্য সভাকে কেন্দ্র করেও রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের পর কলকাতার বাইরে তাঁর প্রথম বড় রাজনৈতিক সভা হিসেবে এই কর্মসূচিকে দেখা হচ্ছে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নির্দিষ্ট শর্ত মেনে সভার অনুমতি দেওয়া হয়। সভার সময়ও সীমিত রাখা হয়েছিল।

সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় SIR এবং Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar-কে নিয়ে তীব্র অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবে তাঁর দল।

তাঁর বক্তব্যে বিরোধী দলগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের কথাও উঠে আসে। তিনি Rahul Gandhi এবং CPI(M)-এর নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানান।

এগুলি রাজনৈতিক বক্তব্য এবং অভিযোগ; ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত প্রকৃত সংখ্যা ও প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের সরকারি নথি এবং আপিলের ফলাফলের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে।

SIR নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র

Special Intensive Revision বা SIR এখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ SIR-এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের প্রক্রিয়াকে সমর্থন করা হচ্ছে।

এই বিতর্কের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁদের appeal এবং verification প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়।

নির্বাচন কমিশনের কাজ হল যোগ্য ভোটারদের তালিকায় রাখা এবং অযোগ্য বা মৃত/স্থানান্তরিত ভোটারের তথ্য সংশোধন করা। ফলে SIR নিয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি তালিকা, শুনানি এবং আপিলের ফলাফল দেখা প্রয়োজন।

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়েও রাজনৈতিক উত্তাপ

রাজ্যের শিক্ষাঙ্গনেও আজ রাজনৈতিক পরিস্থিতি আলোচনায় রয়েছে।

কলকাতার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি, ছাত্র সংগঠনের কার্যকলাপ এবং প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে Jadavpur University-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও ছাত্রদের পক্ষ থেকে নতুন inter-university transfer Bill নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে।

একই সময়ে কলেজ governing bodies-কে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কার্যকলাপ কমানোর জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষার পরিবেশ এবং প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখার প্রশ্নটি আগামী দিনে আরও আলোচনায় আসতে পারে।

বৃষ্টির পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা

গত কয়েক দিনের গভীর নিম্নচাপের কারণে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। আজ আবহাওয়া পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

প্রকাশিত আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে, কারণ নিম্নচাপের প্রভাব ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। তবে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় এখনও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

কলকাতায় বৃষ্টির পরিমাণ কমলে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতিতে কিছুটা স্বস্তি মিলবে। মণ্ডপ নির্মাণ, রাস্তার কাজ, আলোকসজ্জা এবং প্রতিমা পরিবহণের ক্ষেত্রে গত কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে সামলানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

ISI কলকাতায় জল জমার সমস্যা নিয়ে পদক্ষেপ

বর্ষণের প্রভাবে কলকাতার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামোতেও সমস্যা দেখা দিয়েছে।

Indian Statistical Institute, Kolkata-এর হস্টেল এলাকায় জল জমে যাওয়ার পর ছাত্রদের প্রতিবাদের খবর সামনে এসেছে। এর পর institute কর্তৃপক্ষ হস্টেলগুলির সংযোগকারী walkway উঁচু করার পরিকল্পনা করেছে।

শহরে অতিবৃষ্টির সময় জলনিকাশির সমস্যা শুধু রাস্তার ক্ষেত্রেই নয়, বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং আবাসিক এলাকাতেও প্রভাব ফেলছে। পুজোর আগে জলনিকাশি ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা তাই প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

বন্ধ চা-বাগান পুনরায় খোলার উদ্যোগ

উত্তরবঙ্গের চা-বাগান নিয়েও রাজ্য সরকারের উদ্যোগ সামনে এসেছে।

বন্ধ থাকা চা-বাগানগুলিকে সাত দিনের মধ্যে reopening plan জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা মেটানোর বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।

উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে চা শিল্পের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চা-বাগান চালু হলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

সরকারের নির্দেশের পর এখন নজর থাকবে কোন কোন বন্ধ বাগান বাস্তবসম্মত পুনরায় চালুর পরিকল্পনা জমা দেয় এবং শ্রমিকদের বকেয়া নিয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

আজকের খবর এক নজরে

বিষয়২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর আপডেট
অ্যান্টি-গুন্ডা বিলরাষ্ট্রপতি ফেরত পাঠাননি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিবেচনায়
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যবিল এখনও রাষ্ট্রপতির কাছে যায়নি
দুর্গাপুজোকলকাতা পুলিশের প্রস্তুতি জোরদার
পুলিশপ্রায় ১০,০০০ পুলিশ মোতায়েনের পরিকল্পনা
স্বেচ্ছাসেবকপ্রায় ২১,০০০
বিজেপিরাজ্য সংগঠনে রদবদল
নন্দীগ্রামমিলন প্রধানের আইনি লড়াই অব্যাহত
প্রচারমিলন প্রধানের হয়ে স্ত্রী অর্পিতা প্রচারে
শ্রীরামপুরমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা
SIRভোটার তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক
আবহাওয়াদক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কমার সম্ভাবনা
উত্তরবঙ্গকয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির সতর্কতা
চা শিল্পবন্ধ বাগানকে reopening plan দিতে নির্দেশ
শিক্ষাISI কলকাতায় জলনিকাশি ও walkway উন্নয়নের উদ্যোগ

দিনের শেষে

২৬ সেপ্টেম্বরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিষয়গুলির একটি হল অ্যান্টি-গুন্ডা বিল নিয়ে সরকারের অবস্থান। গতকাল বিলটি রাষ্ট্রপতি ফেরত পাঠিয়েছেন বলে যে আলোচনা তৈরি হয়েছিল, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তা খারিজ করে জানিয়েছেন যে বিলটি এখনও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিবেচনায় রয়েছে।

দুর্গাপুজোর আগে কলকাতা পুলিশও প্রস্তুতি জোরদার করছে। পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যা সমাধান এবং প্রায় ১০,০০০ পুলিশ কর্মী ও ২১,০০০ স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন এবং SIR-কে ঘিরে উত্তাপ অব্যাহত। মিলন প্রধানের আইনি পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত, অন্যদিকে শ্রীরামপুরের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় SIR নিয়ে তাঁর অবস্থান আরও জোরালো করেছেন।

রাজ্য বিজেপির ক্ষেত্রেও আজ সাংগঠনিক রদবদল হয়েছে। তাপস রায়, অগ্নিমিত্রা পাল-সহ ছয়জনকে দলীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।

আবহাওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পুজোর প্রস্তুতি পুরোপুরি স্বাভাবিক রাখতে আগামী কয়েক দিনের বৃষ্টির পূর্বাভাসের দিকে প্রশাসনের নজর থাকছে।

Related Posts

পরিবর্তনের দিনলিপি ১৫৪তম দিন | ৯ অক্টোবর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় নির্বাচনী বার্তা নিয়ে এল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের ফল। দুই কেন্দ্রেই জয় পেল বিজেপি। নন্দীগ্রামে হাসিরানি রথ কংগ্রেসের মিলন প্রধানকে ১ লক্ষ ২২ হাজারেরও বেশি ভোটে…

Continue reading
পরিবর্তনের দিনলিপি — ১৫৩তম দিন | ৮ অক্টোবর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ৮ অক্টোবরের দিনটি ছিল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ এবং রাজনৈতিক সংঘাতের সমাহার। একদিকে রাজ্য সরকার মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের কাজ পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস…

Continue reading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *